সোমবার, ২৭ জুন ২০২২ ১৩ই আষাঢ় ১৪২৯
 
ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে নিয়ে যাবে সরকার
প্রকাশ: ০৮:৪৪ am ২২-০৫-২০২২ হালনাগাদ: ০১:৫৬ pm ২২-০৫-২০২২
 
 
 


ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৬০ বিঘা কৃষিজমির মালিকানা থাকতে পারবে। এর বেশি হলে তা সরকার নিয়ে নেবে। এমন বিধান রেখে ভূমি সংস্কার আইনের (২০২২) খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ব্যক্তি মালিকানায় ৬০ বিঘার বেশি নিতে পারবে না। ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মাফ। আর সর্বোচ্চ রাখতে পারবে একজন ৬০ বিঘা। একজনের নামে ৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি থাকলে সরকার তা নিয়ে নেবে।

তবে কৃষি শিল্পের ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিকানা লাভের সুযোগ থাকছে বলেও জানান খন্দকার আনোয়ারুল।

তিনি বলেন, কিন্তু সে যদি ইন্ডাস্ট্রি করে কৃষিপণ্যজাতের- যেটা এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড, তাহলে সেক্ষেত্রে এ ৬০ বিঘার সিলিং তার জন্য প্রযোজ্য না। সে ইন্ডাস্ট্রির জন্য অ্যাপ্রুভাল রিপোর্টে যেটা আছে, ব্যাংক যেটাকে জাস্টিফাই করবে- সেটা পর্যন্ত রাখতে পারবে।

খাসজমির বন্দোবস্ত সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পল্লী এলাকাতে বাস্তুভিটা হিসেবে ব্যবহারের জন্য কোনো খাস জমি যদি পাওয়া যায়, তাহলে সরকার ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধা বা তার পরিবার বা ভূমিহীন কৃষক বা শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লিজ দেবে।

তবে কোনো অবস্থাতেই কোনো ব্যক্তিকে ৫ শতাংশের বেশি লিজ দেওয়া যাবে না বলেও জানান তিনি।

ভূমি উন্নয়ন কর আইনের বিষয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। ধরেন আমার ২৬ বিঘা জমি আছে, তাহলে পুরো ২৬ বিঘার দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ, মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানের ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে। কারণ পারিবারিক কবরস্থানের রেকর্ড ব্যক্তিনামে থাকে। এলাকাবাসী মিলে মসজিদের পাশে যে কবরস্থান করে সেটি মসজিদের নামে হওয়ায় কর দিতে হয় না।

 
 

আরও খবর

 
 
© Somoyer Konthosor | Developed & Maintenance by Ambala IT